home

প্রথম আলোকে শাওন বলেন, ‘এটা আমার একক সিদ্ধান্ত। কেউ আমাকে কিছু বলেনি। দেশে ফেরার সময় কোনো বিমানবন্দর থেকেও কিছু জানায়নি। আমি যখন নিউইয়র্ক থেকে আসছিলাম, বিমানবন্দরে অনেককেই মাস্ক ছাড়া দেখেছি, যদিও আমরা জানি মাস্ক জরুরি কিছু না। তারপরও আমার কাছে মনে হয়েছে, কেউ না কেউ তাদের শরীরে করোনাভাইরাস বহন করতে পারে। আমার কাছে মনে হয়েছে, দেশে আসার সময় বিমানবন্দরে লাগেজের যে ট্রলিটা আমি স্পর্শ করেছি, বিমানের যে আসনে বসেছি, তা আমার আগে কেউ না না কেউ ব্যবহার করেছেন। সেগুলো যতই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হোক না কেন। তারপরও মনের মধ্যে প্রশ্ন থেকে যায়, সঠিকভাবে করেছে কী? আমার সন্তানেরা ছোট, বাবা-মা সিক্সটি আপ, সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয়েছে, আমার পরিবারের জন্য, আশপাশের মানুষদের জন্য আমার সচেতন থাকা উচিত। দেশে আসার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, হোম কোয়ারেন্টাইনে যাব। আমার বাবা-মা এবং সন্তানদের তা জানিয়েও দিয়েছি।’